+88 01708349330
সেলস্ হটলাইন - সকাল ৯টা - রাত ৯টা
+88 01708349330 সেলস্ হটলাইন - সকাল ৯টা - রাত ৯টা
বুক করুন

গত ৫ বছর ধরে আমি দুইটা রেস্টুরেন্ট চালাচ্ছি। একজন রেস্টুরেন্ট মালিক হিসাবে আমি আমার রেস্টুরেন্টে আধুনিকতার সব ধরনের ছোঁয়াই রেখেছি। নতুন ডেকোরেশন, মর্ডান কনসেপ্টে টেবিল প্লেসমেন্ট, সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বিলিং ব্যবস্থা, উন্নত মানের সাউন্ড সিস্টেম সহ মোটামুটি সব কিছুই করেছি কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী। সেই সাথে চেষ্টা করতাম কাস্টমারদের কিভাবে আরো বেশি বেনিফিট দেয়া যায়। একটা জিনিস আমি লক্ষ্য করতাম যে, যখন আমার কাস্টমাররা খাচ্ছেন কিংবা গল্প করছেন তখনও তারা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করছেন । এই বিষয়টা নিয়ে মাঝে মাঝে একটু শূন্যতা অনুভব করতাম। এবং চিন্তা করতাম এই নতুন টেকনোলজির সাথে আরো মর্ডান কিছু করা যায় কি না। সব সময়ি মনে হত এটা হয়তো অনেক বেশি কস্ট ইনকার করবে।

ঠিক এমনি একদিন আমি বিজ অ্যাপের বিজ্ঞাপনটা দেখি এবং ইন্টারেস্টিং কিছু ফিচার এর কথা শুনি যা আমাকে আগ্রহী করে তোলে বিজ অ্যাপের বিষয়ে। এরপর আমি যখন বিজ অ্যাপ টিমের সাথে কথা বল্লাম তখন তারাও আমাকে দারুন দারুন কিছু আইডিয়া দিল, তাদের কথা শোনার পর মনে হল এই আইডিয়াগুলো ইমপ্লিমেন্টশন করলে এটা আমার বিজনেসে একটা নতুন গতি আনতে পারে।

বিজ অ্যাপের যে বিষয়টা সবচেয়ে বেশি আমার ভাল লেগেছে এবং আমার বিজনেসকে ত্বরান্বিত করেছে তা হচ্ছে লয়াল্টি প্রোগ্রাম। তারা লয়াল্টি প্রোগ্রামটি এমনভাবে সাজিয়ে দিয়েছে যা ছিল সত্যি চমৎকার। কারনটা হচ্ছে এর জন্য আমার আলাদা করে কোন ম্যানপাওয়ার ব্যবহার করতে হয়নি। আমার এক্সিস্টিং যে ওয়েটার অর্ডার নিচ্ছে তাকে ব্যবহার করেই আমি আমার কাজটি খুব সহজে এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারছি। একচুয়েলি বলতে গেলে বিষয়টা খুবি সিম্পল, ওয়েটার অর্ডার নিচ্ছে, এই অর্ডারগুলো আমরা যেই সিস্টেমের মাধ্যমে ইনপুট হিসাবে নিচ্ছি সেখানে আমি রিউওয়ার্ড পয়েন্ট অফার করছি কাস্টমারদের। প্রতি ১০০০ টাকা ক্রয়ে সে ১০ পয়েন্ট করে পাচ্ছে। সাধারনভাবে এই পয়েন্ট গুলো কাস্টমারের প্রফাইলে জমা হতে থাকে এবং একটা নির্দিষ্ট স্ল্যাব পার হওয়ার পরে সে এটা ডিস্কাউন্ট করে নিতে পারে। মনে করেন ৫০০০ পয়েন্ট জমা হল সে সেটা ডিসকাউন্ট করে নিয়ে গেল। আরো অনেক জায়গায় অনেক ধরনের রয়েল্টি প্রোগ্রাম দেখেছি কিন্তু তার সাথে আমার এটার বিশেষ পার্থক্য হচ্ছে এটা মেইন্টেন করার জন্য আমার ক্ষেত্রে আলাদা কস্ট ইনকার করে না। এবং এটাতে সবাই ইউজটু। সবাই তাদের স্মার্টফোনে এটা খুব সহজেই ব্যবহার করতে পারছে। আমার কাছে এটা খুব ভাল লেগেছে এবং খুব সহজেই আমি মেইন্টেইন করতে পারছি।

২য় তো পাশাপাশি আমি আর একটা চমৎকার জিনিস বেরিয়ে আসলো তা হচ্ছে কাস্টমার যখন তার রেজিস্ট্রেশন করছেন তখন তার জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকি ইত্যাদি ইনফরমেশন আমরা পেয়ে যাচ্ছি তখন আমি তাকে তার এই বিশেষদিন গুলোতে কাস্টমাইজ অফার পাঠাতে পারছি। ফুডিং বিজনেস হওয়ায় বছরে আমরা ১০/১২ উৎসব পাই এছাড়া আলাদা করে আমাদের উৎসব ক্রিয়েট করার তেমন কোন জায়গা নাই। সো দেখা যাচ্ছে আমি আমার কাস্টমারকে বলতে পারছি আপনি যদি আপনার বার্থডে তে আমার এখানে ১০ জনের একটা টেবিল বুক করেন তাইলে ২০% ডিসকাউন্ট পাবেন। এই সুবিধাটা দেয়ার ফলে আমার প্রচুর কাস্টমার এখন আমাদের এখানে তাদের বার্থডে, ম্যারেজডেপালন করছে। এবং এরা রি অকারিং সো এইটা আমাকে আমার ব্যবসায় অন্যরকম একটা বুস্ট দিয়েছে।

এবং ফাইনালি আমি যেটা বলবো এবং যেটা একটা চমৎকার বিষয় সেটা হচ্ছে সারাদিন শেষে আমাকে এসে দেখতে হত কত টাকার সেল হয়েছে। এবং এটার জন্য আমাকে আসতে হতো, ক্যাশ মিলাতে হত, আমার সফটওয়্যার দেখতে হত, অথবা বাসা থেকে ল্যাপটপ খুলতে হত, হিসাব মিলাতে হত আর পাশাপাশি আরও কিছু জিনিস সেখানে মিসিং থাকতো এবং সেগুলো সেদিন মিলানোর কোন অপশন থাকতো না। কিন্তু এখন আমি জানি আমার ৩ রকমের বার্গারের মদ্ধ্যে কোন বার্গারটা কখন বেশি চলে। আমি আমার অ্যাপ এর ব্যকএন্ড থেকেই পেয়ে যাচ্ছি আমার কোন প্রডাক্ট কি রকম চলছে। কোন দিনে কোন প্রডাক্টের চাহিদা বেশি থাকে। সো সব কিছু মিলেয়ে যদি বলি, বিজএপ জাস্ট আমাকে আমার ব্যবসায়ে একটা বুস্ট দিয়েছে যেটা আমার বিজনেস্টা ম্যানেজ করা এবং সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাকে ফ্যান্টাস্টিকভাবে হেল্প করেছে।

সো আমি বিজ অ্যাপ যারা তৈরী করেছে তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই এবং আমি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। অ্যা লট অব থ্যাংকস টু বিজ এপ টিম কারন তারা আমাকে বিজ অ্যাপ লঞ্চ থেকে শুরু করে প্রতিনিয়ত খুব দ্রুত সব ধরনের জটিলতা ও টেকনিক্যাল সমস্যার সমাধান দিয়ে আসছে। এই ছিল বিজ অ্যাপ নিয়ে আমার ব্যবসার পথ চলার নতুন মাত্রার কথা।

বিজঅ্যাপ

যেভাবে সাহায্য করবে আপনার বিজনেসকে